কংসকারের, জমিদারী, পালকি, লক্ষ্মী, Kansakar, Medinipur, Midnapore

এক কংসকারের জমিদারী পত্তন

হু-উ-ম না হু-উ-ম না পালকি চড়ে স্বয়ং মা লক্ষ্মী এসে নেমেছিলেন বাড়ির দোরগোড়ায়।



চিন্ময় দাশ।



Home » Medinikatha Journal » Chinmoy Das » এক কংসকারের জমিদারী পত্তন


গোড়ার কথা


চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতে এসেছিলেন খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকে। এর ঠিক দু’শো বছর পর, চীনদেশ থেকে আরেক পরিব্রাজক আসেন, যিনি হিউ এন সাঙ নামে পরিচিত।


কংসকারের, জমিদারী, পালকি, লক্ষ্মী, Kansakar, Medinipur, Midnapore
এক কংসকারের জমিদারী পত্তন।

হিউ এন সাঙের বিবরণীতে তাম্রলিপ্ত বন্দর এবং নগরী সম্পর্কে উল্লেখ পাওয়া যায়। সেখানে তিনি বলেছিলেন বৌদ্ধ সঙ্ঘারাম এবং অশোক স্তম্ভ তাম্রলিপ্ত নগরীতে দেখেছিলেন। সেই সাথে বহুসংখ্যক দেবমন্দিরও তাম্রলিপ্ত নগরীতে অবস্থিত ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।


প্রায় দুই হাজার বছর পরে, সে সকলের কোন চিহ্নই আজ আর তাম্রলিপ্ত নগরী বা বর্তমানের তমলুক শহরে অবশিষ্ট নেই। বর্তমানে যে মন্দির ক’টি দেখা যায়, তার ভিতর বর্গভীমা মন্দির বাদ দিলে, বাকি বিখ্যাত ৬টি মন্দির নির্মিত হয়েছিল তমলুক রাজবংশের হাতে। কিন্তু এই মন্দিরমালার বাইরে, এই শহরে আরও একটি সুদর্শন মন্দির নির্মিত হয়েছিল। সেটি নির্মাণ করেছিলেন এক কংসকার।



বহুকালের প্রাচীন নগরী তাম্রলিপ্ত বা তমলুক। বহু পূর্বকাল থেকেই হিন্দু জাতিগুলির মধ্যে, প্রায় সমস্ত বর্ণ-সম্প্রদায়ের মানুষ স্থায়ী বসতি করে আছেন তমলুক নগরীতে। এই শহরের একেবারে দক্ষিণ এলাকায় একটি কংসকার পরিবারের বসবাস আছে। রাণা পদবীর এই পরিবারটি এলাকায় ‘কর্মকার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

এই বংশের একজনের নাম জানা যায়, তিনি রামকুমার রাণা। রামকুমারের পিতা ছিলেন তিতুচরণ রাণা। বংশানুক্রমে কাঁসা-পিতলের কাজ করতেন তাঁরা। অন্যান্য হস্তশিল্পের মতো মেদিনীপুর জেলায় কাঁসা-পিতল শিল্পও বহু পূর্বকাল থেকে বিকশিত হয়েছিল।

সেকালে ঘাটাল থানার খড়ার, রাধানগর কিংবা রামনগর থানার চন্দনপুর, পটাশপুর থানার কল্যাণপুর ইত্যাদি এলাকায় কাঁসাশিল্পের উন্নতি ছিল চোখে পড়বার মতো।

তমলুক শহরে পণ্য পরিবহনের সুবিধা ছিল। স্থলপথ এবং জলপথ-- উভয় কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের উপযোগী পরিবেশ ছিল এই তমলুকে। রাণা পরিবারের ব্যবসাও তাতে বিকশিত হতে পেরেছিল।

মা লক্ষ্মী এলেন পালকি চড়ে

কিন্তু একসময় রাণাবংশের এই শিল্পটি হঠাৎ করে বেড়ে উঠেছিল। কী করে বেড়েছিল, রাণাবংশই বা কীভাবে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করে ফেলল, সে সম্পর্কে একটি হৃদয়গ্রাহী কাহিনী প্রচারিত আছে।

একদিনের ঘটনা। বেলা তখন প্রায় দুপুর। মাথার উপর গণগণে সূর্য। হুঁ-উ-ম না, হুঁ-উ-ম না করতে করতে একটি পালকি এসে রাণাবাড়ির সদরে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। পালকি থেকে নেমে আসেন অপরূপা সুন্দরী এক ষোড়শী কুমারী কন্যা। ভেতরে যাওয়ার সময়, পালকি বাহকদের বলল-- তোমরা একজন ভেতরে গিয়ে, বাবার কাছ থেকে বউনির টাকা নিয়ে নাও।


কংসকারের, জমিদারী, পালকি, লক্ষ্মী, Kansakar, Medinipur, Midnapore
এক কংসকারের জমিদারী পত্তন।

বেহারাদের সর্দার ঘাড়ের গামছায় ঘাম মুছতে মুছতে, ভেতরে ঢুকে পড়ল। সামনে পেল রাণাবাড়ির গোমস্তাকে। একটা পেন্নাম ঠুকে, বলল—বাবু, আমাদের বিদায় করে দিন।

খাতাপত্র থেকে চোখ তুলে, সামনে তাকিয়ে গোমস্তা দেখেন, একজন মাঝবয়সী মানুষ সামনে দাঁড়িয়ে। সারা শরীর ঘামে ভেজা। ঘাড়ের গামছা দিয়ে মুখ চোখ মুছে দাঁড়িয়ে আছে মাথা ঝুঁকিয়ে।

কী বিদায়, কিসের বিদায়—ব্যাপারটা ভালো করে মাথায় ঢুকলো না গোমস্তার। জিজ্ঞেস করল-- কিসের বিদায়? কে তুমি?

বেহারা বলল-- আমি বাবু পালকি নিয়ে এসেছি। আপনার মেয়ে বাড়ি এলো যে! সে-ই তো বলল, ভেতরে গিয়ে বাবার কাছ থেকে বউনি নিয়ে নাও।

গোমস্তা অবাক। মেয়ে বাড়ি এসেছে? এই বাড়ির মেয়ে? কে সে? ভাবতে ভাবতে দপ্তর ফেলে, সদর দরজার দিকে এগিয়ে গেল। সেখানে গিয়ে দেখল, সত্যিই একটা খালি পালকি মাটিতে নামানো। পাশে তিনজন বেহারা বসে।

একটু ভড়কেই গেল মানুষটা। কিছুই মাথায় ঢুকলো না। সোজা মালিকের কাছে গিয়ে হাজির। সব কথা খুলে বলল। মালিক তখন রামকুমার। মধ্যবয়স্ক মানুষ। কাজ করছিলেন। সব শুনলেন। তিনিও প্রায় কিছুই বুঝলেন না। গোমস্তাকে বললেন— চলো, দরজায় যাই দুজনে মিলে।

আবার সদর দরজায় গিয়ে হাজির হলেন দুজনে। শূণ্য পালকি, চার-চারজন ঘামে ভেজা বেহারা। সব দেখে ভুরু কোঁচকালেন রামকুমার।

রামকুমারের কোন কন্যাসন্তান ছিল না। এমনকি পরিবারেও এমন বয়সী মেয়ে কেউ ছিল না। কোন মেয়ে বাড়িতে এলো, মাথায় ঢুকলো না তাঁর।


কংসকারের, জমিদারী, পালকি, লক্ষ্মী, Kansakar, Medinipur, Midnapore
এক কংসকারের জমিদারী পত্তন।

হঠাৎই ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় চঞ্চল হয়ে উঠল রামকুমারের। মিষ্টি একটা সুবাস ভেসে বেড়াচ্ছে বাতাসে। ভারি পবিত্র সেই গন্ধ। চমকে উঠলেন রামকুমার। মন বলল, আর কেউ নয়। স্বয়ং মা লক্ষ্মী কন্যা সেজে নিজে এসে ঢুকেছেন তাঁর ঘরে।

আপ্লুত হয়ে গেলেন মানুষটি। এমন সৌভাগ্য ক'জনের হয়! খুশি মনে পুরস্কার দিয়ে বিদায় করলেন বেহারাদের। ঘরে ঢুকে ঠাকুরঘরে গিয়ে আছড়ে পড়লেন-- নিজের থেকে এসেছো। এখানেই থাকো, মা।

তখন তাঁর দু’চোখ বেয়ে অঝোরে নেমে যাচ্ছে আনন্দের ধারা।

সেদিন থেকেই ভাগ্য ফিরতে শুরু করেছিল রামকুমারের। ব্যবসায় প্রভুত উন্নতির সূচনা হলো। দু’হাতে অর্থ উপার্জন করতে লাগলেন। দেখতে না দেখতে, বিপুল ধনসম্পদের মালিক হয়ে উঠলেন মানুষটি।

রামকুমার ছিলেন পাকা ব্যবসায়ী। ভালোই জানতেন, লক্ষ্মী চিরকালই চঞ্চলা। তাঁকে বেঁধে রাখতে হয়। সেটাই বিবেচনার কাজ, সেটাই দস্তুর। ব্যবসার সম্পদ থেকে সম্পত্তি করতে চাইলেন তিনি।

রামকুমারের বাস তমলুক শহরে। তমলুকের পূর্বে সুতাহাটা, আর পশ্চিমে ময়না। এই দুই থানায় বেশ কয়েকটি মৌজায় সম্পত্তি কিনে, নিজের একটি জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রামকুমার।

সেসময় কেবল মেদিনীপুর জেলা নয়, সমগ্র দক্ষিণবাংলা জুড়ে গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের প্রবল জোয়ার বয়ে চলেছে। সেই ধারায় যোগ দিলেন রামকুমার। লক্ষ্মী নিজে থেকে এসেছেন। এবার ‘রঘুনাথ’ নামের নারায়ণ শিলা (শালগ্রাম) প্রতিষ্ঠা করলেন তিনি।

দোতলা একটি পূর্বমুখী অট্টালিকা নির্মাণ করেছিলেন। রঘুনাথের জন্য মন্দিরটি গড়লেন সদর দেউড়ির একেবারে সামনে। রঘুনাথের জন্য পঞ্চ-রত্ন রীতির সুদর্শন মন্দিরটি গভ্লেন পশ্চিমমুখী করে। যাতে সহজে দেবদর্শন করতে পারেন।


কংসকারের, জমিদারী, পালকি, লক্ষ্মী, Kansakar, Medinipur, Midnapore
এক কংসকারের জমিদারী পত্তন।

কুলদেবতার পূজা প্রচলন করলেন যখন, নিজের বংশের কৌলিক ‘রাণা’ পদবী ত্যাগ করে দিলেন চিরকালের মত। নতুন পদবি গ্রহণ করলেন-- দাস। সেই থেকে এই কর্মকার বংশ ‘দাস’ পদবীতেই পরিচিত হয়ে আছে।

দেবতার পূজার প্রচলন করলেন। কিন্তু তাঁর অবর্তমানে ভবিষ্যতে যাতে পূজার কোনও বিঘ্ন কিংবা বিরাম সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রেখেছিলেন বিচক্ষণ রামকুমার। কিছু সম্পত্তি কিনেছিলেন দেবতার নামেই।

বিগ্রহের কথা

মন্দিরে বিগ্রহ—রঘুনাথ। তবে, এই রঘুনাথ দশরথ-পুত্র কিংবা সীতা-পতি রামচন্দ্র নন। এই রঘুনাথ হলেন স্বয়ং ভগবান বিষ্ণু বা নারায়ণের নামভেদ মাত্র। মন্দিরে রঘুনাথের কোনও মূর্তি নাই। শালগ্রাম শিলা রূপেই তিনি বিরাজিত আছেন।।

পূর্বকালে মেদিনীপুর জেলার এই পূর্ব এলাকায় রাজ পরিবারগুলিতে সীতাপতি রামচন্দ্রের আরাধনার ব্যাপক প্রচলন ছিল। তমলুক শহরেই রামচন্দ্রের মন্দির আছে। সে মন্দিরে রামচন্দ্র, সীতাদেবী এবং লক্ষণ-- এই তিনজনের মূর্তি পূজিত হয়। ‌ মন্দিরটি তমলুকের রাজবংশ নির্মাণ করেছিল।

মহিষাদলের রাজমহিষী জানকী দেবীর নির্মিত রামজীর মন্দির আছে মহিষাদল থানার রামবাগ গ্রামে। সে মন্দিরেও রামচন্দ্র, সীতাদেবী এবং লক্ষণের মূর্তি পূজিত হয়।


কংসকারের, জমিদারী, পালকি, লক্ষ্মী, Kansakar, Medinipur, Midnapore
এক কংসকারের জমিদারী পত্তন।

কিন্তু তমলুক শহরের শঙ্করআড়া এলাকার দাসবংশের এই মন্দিরে মূর্তি নয়, রঘুনাথ নামের শালগ্রাম শিলাই পূজা করা হয়। শাস্ত্রের বিবরণ অনুসারে, ৫১টি শালগ্রামের মধ্যে প্রধান শিলা ১৮টি। তার ভিতর রঘুনাথ শিলার অবস্থান তৃতীয়।। শাস্ত্রের বিধান অনুসারে, সেই শিলায় দুটি দ্বার, চারটি চক্র, বনমালা এবং গোস্পদ চিহ্নিত আছে।

তিতুচরণ রানার পুত্র রামকুমার দেবতার প্রতিষ্ঠা এবং পূজার প্রচলন করেছিলেন। বর্তমানে তাঁর ষষ্ঠ পুরুষের সেবায়েতগণের হাতে পূজার ভার অর্পিত আছে। যথাক্রমে শরৎচন্দ্র দাস এবং যামিনী ভূষণ দাস-- এই দুজনের বংশধরগণ, সমান আট আনা অংশে, প্রত্যেকে ছ’মাস হিসেবে পূজা করে থাকেন।

মা লক্ষ্মীর আগমনের পর সম্পদশালী হয়ে, কাঁসা-পিতল ব্যবসার সাথে, পেট্রোল পাম্প এবং তেলের ব্যবসায় হাত দিয়ে দিয়েছিল এই বংশ। তাতে আর্থিক সমৃদ্ধি বেশ পুষ্ট হয়ে উঠেছিল। এবং সেই সঙ্গতির সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করে, বিশেষ আড়ম্বর সহকারে দেবতার সেবা পূজার আয়োজন করা হোত। বছরের বারো মাসে ১৩ পার্বণের আয়োজন হোত। তার ভিতর রামনবমী এবং অক্ষয় তৃতীয়া তিথির আড়ম্বর ছিল চোখে পড়বার মতো। কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, জমিদারি প্রথা বাংলা‌ থেকে উচ্ছেদ হয়ে গেলে, সেসব আড়ম্বর মুছে গিয়েছে চিরকালের মতো।

তমলুক নগরীর মন্দিরশৈলী

মেদিনীপুর জেলার প্রাচীন মন্দিরগুলি মুখ্যত প্রধান চারটি রীতিতে নির্মিত হয়েছে—দালান, শিখর, চালা এবং রত্ন রীতি। তমলুক শহরে যে প্রাচীন মন্দিরগুলি আছে, সেগুলোর দিকে একটু তাকানো যাক। দেবী বর্গভীমার মন্দির, জিষ্ণুহরি মন্দির, হরির বাজারে রানি হরিপ্রিয়ার প্রতিষ্ঠিত রামজীউ মন্দির, রাজবাড়ির ভিতর রাধামাধব ও রাধারমণ মন্দির—এগুলি জগমোহন যুক্ত শিখর দেউল রীতির। খাটপুকুর দীঘির দক্ষিণ পাড়ের জগন্নাথ মন্দির এবং তাম্রলিপ্ত সংগ্রহশালার নিকটে চক্রেশ্বর মহাদেবের মন্দিরটি চালাশৈলীতে নির্মিত। হরির বাজারে চৈতন্যদেবের সহচর বাসুদেব ঘোষ নির্মিত মহাপ্রভু মন্দিরটি দালান-রীতির।

অর্থাৎ তমলুক শহরে অন্য তিনটি রীতির মন্দির থাকলেও, উনিশ শতকের শেষভাগ পর্যন্ত, রত্ন-রীতির কোনও মন্দির তমলুক শহরে নির্মিত হয়নি। একমাত্র শঙ্করআড়ায় রামকুমারের নির্মিত রঘুনাথের মন্দিরটি রত্নশৈলীতে নির্মিত হয়েছে।।

রঘুনাথের মন্দিরটি পঞ্চ-রত্ন মন্দির। বেশ উঁচু পাদপীঠ অংশ অনেকগুলি প্যানেলে ভাগ করা। মন্দিরের চার দিক ত্রিখিলান অলিন্দ দিয়ে ঘেরা। ঋজু গড়নের মন্দিরটির মাথায় চালা ছাউনি দেওয়া। কার্নিশগুলি ভারি মনোরম। তার বঙ্কিম ভাবটি সুন্দরী রমণীর আয়ত আঁখিপল্লবের মতো কোমল সৌন্দর্য মাখা। মন্দিরের মাথার রত্নগুলি কলিঙ্গশৈলীতে নির্মিত হয়েছে। প্রত্যেকটিতেই বাঢ় এবং গণ্ডী জুড়ে রথ-বিভাজন করা।


কংসকারের, জমিদারী, পালকি, লক্ষ্মী, Kansakar, Medinipur, Midnapore
এক কংসকারের জমিদারী পত্তন।

তমলুক নগরীতে পঞ্চ-রত্ন রীতিতে নির্মিত একমাত্র মন্দির এটি। কিন্তু মাত্র শ’দেড়েক বছর আয়ুতেই, মন্দিরটির দেহে বার্ধক্যের গভীর চিহ্ন। প্রতিদিন পলে পলে ধ্বংসের দিন গুনছে বিশিষ্ট এই মন্দির সৌধটি।

অথচ এটিকে সংস্কার করে সুরক্ষা দিতে পারলে, কেবল মন্দিরটি ধ্বংসের হাত এড়িয়ে নবজীবন পেতে পারত, তা নয়। নতুন জেলা শহরের অন্যতম গর্বের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারত মন্দিরসৌধটি। কোনও স্তরে কোন উদ্যোগ দূরের কথা, দুশ্চিন্তাও দেখা যায় না। অমূল্য সংস্কৃতিক সম্পদটি ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে একটু একটু করে।

হেরিটেজ নিয়ে বিপুল আলোচনা, আন্দোলন হতে দেখা যায়। কিন্তু হেরিটেজ রক্ষায় সক্রিয় পদক্ষেপ করা কিন্তু কম জরুরী নয়।




M E D I N I K A T H A J O U R N A L

Edited by Arindam Bhowmik

(Published on 10.03.2026)


আলাপচারিতা -

শ্রী বিমল কান্তি দাস, শ্রী সমরেশ চন্দ্র দাস, শ্রী দেবব্রত দাস এবং শ্রী রাজেশ দাস—শঙ্করআড়া, তমলুক।

যেতে চাইলে -

যে কোন দিক থেকে বাস কিংবা ট্রেন যোগে তমলুক। শহরের ভিতর শঙ্করআড়ায় বড় রাস্তার ওপর জীর্ণ মন্দিরটি অবস্থিত, পেট্রোল পাম্পের পাশেই।



নিচে কমেন্ট বক্সে আপনার মূল্যবান মতামত জানান।